স্মৃতি থেকে

সর্বশেষ নোটিশ ও অনলাইস ক্লাস

সভাপতি জনাব এম আলাউদ্দিন
বর্তমান বিশ্ব, প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ব। বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পুরো বিশ্ব এখন ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় লক্ষ্মীপুর জেলার স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কফিল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি ওয়েবসাইট খুলেছে। মূলত শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক এই তিন অনুসঙ্গের নিকট তথ্য, উপাত্ত সহজে ও দ্রুততার সহিত পৌঁছানো এবং তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর এবং অন্যান্য সরকারি অফিসের যোগাযোগ রক্ষা করা এই ওয়েবসাইটের লক্ষ্। এই উদ্যোগ কার্যকলাপের স্বচ্ছতা, গতিশীলতা এবং জবাবদিহিতা যেমন নিশ্চিত করবে তেমনি দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে শিক্ষাব্যবস্থাকে রক্ষা করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। সর্বোপরি ওয়েবসাইটটি বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সেবার মান উন্নত করবে এই প্রত্যাশা করছি।

অধ্যক্ষ জনাব সরকার মো: জোবায়েদ আলি
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। জাতীয় উন্নতিতে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। বর্তমান যুগে জ্ঞান বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তিই হচ্ছে শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ। প্রতিযোগতিার এই বিশ্বে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজম্মের জন্য বেছে নিতে হবে যুগোপযোগী মান সম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মোঃ কফিল উদ্দিন মিয়া প্রতিষ্ঠার পর থেকে লক্ষীপুর জেলার মধ্যে একটি অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে শীর্ষ স্থানে অবস্থান করছে। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করে আসছে। লক্ষীপুর জেলা ও চন্দ্রগঞ্জ বাসীর প্রতি প্রতিশ্র্বতিবদ্ধ হয়েই ১৯৭২ সাল থেকে কফিল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ হাঁটি হাঁটি পা পা করে প্রতিষ্ঠানটি উচ্চ মান সম্পন্ন কৃতিত্বের সহিত বহতা নদীর মতোই অগ্রসর হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটি জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সকলের নিকট আস্থার প্রতীক হয়ে উঠবে এই আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আমি এই প্রতিষ্ঠানের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য ও কল্যাণ কামনা করছি।

উপাধ্যক্ষ জনাব প্রিয়বত চৌধুরী
কোন জাতি বা জনগোষ্ঠীর অগ্রযাত্রার ও উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হলো শিক্ষা। যতদিন পর্যন্ত কোন জাতি শিক্ষিত না হবে ততদিন তাদের অবহেলা, গঞ্জনা, বঞ্চনার অবসান সম্ভব হবে না। আর এই মহাসত্যকে উপলব্ধি করেই যুগে যুগে মহামানবগন মানবজাতির মুক্তি ও কল্যানের নিমিত্তে শিক্ষাকে মানুষের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসে সহজলভ্য ও সহজসাধ্য করার প্রয়াস চালিয়েছে। এই মহান প্রচেষ্টা ফসল হিসেবে দানবীর কফিলউদ্দিন মিয়ার আন্তরিক প্রচেষ্টার ১৯৭২ সালে লক্ষ্মীপুর জেলার প্রবেশদ্বারে গড়ে উঠছে কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। পড়ালেখার মান পরীক্ষার ফলাফল এবং কলেজ পরিচালনা পর্যদের সম্মানিত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আলহাজ্ব এম আলাউদ্দিন মহোদয়, কলেজ অধ্যক্ষ সরকার মোঃ জোবায়েদ আলী, পরিচালক পর্যদ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলীর সার্বিক পর্যবেক্ষণে এই কলেজকে কুমিল্লা বোর্ড ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন কলেজ সমূহের মধ্যে একটি অন্যতম মর্যদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে।

অনলাইন ক্লাস সমূহ

কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ
ঢাকা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়ক সংলগ্ন চন্দ্রগঞ্জ বাজার থেকে আধা কিলোমিটার পশ্চিমে রাস্তার দক্ষিণ পাশে সুন্দর মনোরম পরিবেশে ১৯৭২ সালে কফিল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। পরিবেশগত দিক থেকে কফিল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের অবস্থান অত্যন্ত সুন্দর। উত্তর পাশে মেঘনা সংযোগ খাল, মহাসড়ক খালের পাড়ে, সারিবদ্ধ পরিকল্পিত ফলজ, বনজ, ঔষধী গাছের বাগান ছাত্রাবাস, শিক্ষক আবাসন পূর্বে পাশে দ্বিতল বিশিষ্ঠ দালান, দালানের ঠিক চারিদিকে সবুজ বনায়ন সমৃদ্ধ বিশাল এক পুকুর, শান বাধানো ঘাট, অনেকটা নীল অথচ সচ্ছ জলরাশি অনেককেই বিমোহিত করে। দক্ষিণ পাশে দ্বিতল, তিনতলা বিশিষ্ট দালান অকেটাই নৈসর্গিক পরিবেশ দান করেছে। মাঝখানে বিশাল আকৃতির মাঠ। আর এ মাঠেই এতদ অঞ্চলের প্রতিভু খেলোয়াড়দের দক্ষতার পরিচয় ঘটে। প্রতিনিয়তই পশ্চিম পাশে দ্বিতল বিশিষ্ট হলুদ রঙ্গে আবৃত কলেজ মসজিদ এ কলেজের পরিবেশকে নতুন রঙ্গে সাজিয়ে দিয়েছে।

নোটিশ

সকল ক্যাটাগরি